নেশা দ্রব্য খাইয়ে হত্যার কথা শিকার

March 8, 2020, 3:03 pm নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

স্বেচ্ছায় আদালতে জবানবন্দি দিয়ে ভৈরবে পুলিশের সোর্স কাশেম হত্যার কথা স্বীকার করলেন মাইগ্গা আলম। এর পরই উদ্ঘাটন হলো এ হত্যার রহস্য।

সোর্স কাশেমের কারণে আলমসহ কয়েকজনের মাদক ব্যবসা করতে অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছিল বলেই এ খুন। এ কারণে ঘটনার দিন রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে নেশাদ্রব্য খাইয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

গ্রেফতারের পর আলম শনিবার বিকালে কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তাসলিমা আক্তারের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।

এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে মাদক ব্যবসায়ী মাইগ্গা আলমকে হবিগঞ্জের মাধবপুর এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তার বাড়ি শহরের পঞ্চবটি এলাকায়। সে কাশেম হত্যা মামলার অন্যতম আসামি।

জবানবন্দিতে মাইগ্গা আলম বলেছেন, হত্যার সঙ্গে তিনি ছাড়াও আরও কয়েকজন জড়িত ছিল। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ সন্দেহভাজনদের নাম প্রকাশ করেনি। মাইগ্গা আলম ভৈরব এলাকার চিহ্নিত এক মাদক ব্যবসায়ী বলে পুলিশ জানায়।

৩০ জানুয়ারি ভোরে সোর্স কাশেমের লাশ পাওয়া যায় ভৈরব রেলস্টেশনের কাছে। তার বাবার নাম নাগর আলী এবং বাসা শহরের আমলাপাড়া এলাকায়।

ঘটনার আগের দিন ২৯ জানুয়ারি রাতে এলাকার এক মাদক ব্যবসায়ী মোবাইলে তাকে (কাশেমকে) ডেকে নেয় পঞ্চবটি এলাকায়। পর দিন ভোরে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। পরে নিহত কাশেমের স্ত্রী আলমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ভৈরব থানায় একটি মামলা করে। মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

পুলিশ আলমকে মাধবপুর থেকে শুক্রবার গভীর রাতে গ্রেফতার করার পর সে স্বেচ্ছায় আদালতে জবানবন্দি দিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন।

ভৈরব থানার ওসি শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকে আলম পলাতক ছিল। মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার রাত ৩টায় তাকে হবিগঞ্জের মাধবপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে তাকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন মাইগ্গা আলম।