‘ব্লাডশট’ নিয়ে বাংলাদেশে আসছেন ভিন ডিজেল

March 12, 2020, 12:44 pm নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

হলিউডের কমিকসভিত্তিক সুপারহিরো ছবির জয়জয়কার চলছে দীর্ঘদিন ধরে। বিশ্বজুড়ে অগণিত কমিকস প্রিয়দের কাছে ছবিগুলো দারুণ গ্রহণযোগ্যতা পায়। প্রতি বছরই হলিউডের ব্লকবাস্টার ছবির তালিকায় কোন না কোন সুপারহিরো ছবি থাকছে দোর্দন্ডপ্রতাপে। তাই ভক্তরা এ ধরণের ছবির অপেক্ষায় থাকেন। ভক্তদের জন্য সুখবর হলো, পর্দায় আসছে নতুন সুপারহিরো ছবি। এবারের ছবির নাম ‘ব্লাডশট’। ১৩ মার্চ আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ছবিটি। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে এ ছবি। অন্যান্য সুপারহিরো সিনেমার মতোই ‘ব্লাডশট’ নির্মিত হয়েছে একই নামের বেস্টসেলার কমিক বুক অবলম্বনে। ডেভিড এসএফ উইলসনের পরিচালনায় এ ছবির মূল নায়ক ভিন ডিজেল। আরও অভিনয় করেছেন গাই পিয়ার্স, এজা গনজালেস, স্যাম হিউগান, টবি কেববেলসহ অনেকে। 

সম্প্রতি সনি পিকচার্স এন্টারটেইনমেন্ট সিনেমাটির টিজার ইউটিউবে প্রকাশ করেছে। ২ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের টিজারে একজন অতিমানবী সুপারহিরো রূপে রয় গ্যারিসন চরিত্রে দেখা যায় ভিন ডিজেলকে। প্রতিশোধের নেশা আর অতিমানবীয় শক্তির গোলকধাঁধায় রয় গ্যারিসন প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। এখানে দর্শক আবিস্কার করবেন ভিন্ন এক ভিন ডিজেলকে। রয় গ্যারিসন এবং তার স্ত্রী এইজা গঞ্জালেজকে হত্যা করে একদল দুর্বৃত্ত। হত্যার অল্প সময়ের মধ্যে একদল বিজ্ঞানীর দীর্ঘ চেষ্টায় মেরিন রয় গ্যারিসনকে পুনরায় জীবিত করার চেষ্টা চলে। ন্যানো টেকনোলজির সাহায্যে সে রূপান্তরিত হয় একজন অতিমানব বায়োটেক কিলিং মেশিন ব্লাডশট হিসেবে। দুর্বৃত্তের হাতে মারা গেলেও তাকে বিশেষ কায়দায় বিজ্ঞানীদের গোপন একটি দল বাঁচিয়ে তোলে। তার মাঝে জাগিয়ে দেয় অতিমানবীয় সত্তা। এ জন্য বিজ্ঞানীদের রয়েছে নিজস্ব পরিকল্পনা, যা বাস্তবায়নের জন্য দরকার এমন শক্তিমান কেউ। শুরুতে রয় গ্যারিসন পৃথিবী থেকে তার এবং তার স্ত্রীর বেদনাময় বিদায়ের স্মৃতি স্মরণ করতে ব্যর্থ হন। কিন্তু পরবর্তী সময় স্মরণশক্তি ফিরে আসে এবং সে বুঝতে পারে কে তার স্ত্রীকে হত্যার জন্য দায়ী। তখন তিনি প্রতিশোধের আগুনে জ্বলে ওঠেন। শুরু হয় অন্য এক যুদ্ধ। 

সিনেমাটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় ২০১২ সালে। এরপর অনেকটা সময় গড়িয়ে যায়। ২০১৮ সালের আগস্টে শুরু হয় মূল শুটিংয়ের কাজ। লোকেশন তালিকায় ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন, চেক রিপাবলিকের প্রাগ ও হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট। একই বছরের অক্টোবরে শেষ হয় চিত্রধারণের কাজ। ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ছবিটি বক্সঅফিসে ভালোই সাড়া জাগাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।