জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ১০ মে পর্যন্ত খালেদার জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আগামী ১০ মে পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন আদালত। রোববার রাজধানীর বকশিবাজারে অবস্থিত ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে মামলাটির যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল।

এদিন কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে হাজির না করে কাস্টরি পাঠান কারা কর্তৃপক্ষ। কাস্টরিতে লেখা হয় খালেদা রোববার শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

অপরদিকে খালেদার আইনজীবী সানা উল্লাহ মিয়া জামিন বৃদ্ধির আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে আগামী ১০ মে পর্যন্ত খালেদার জামিন বৃদ্ধি করেন এবং মামলার যুক্তি উপস্থাপনের জন্য একই দিন ধার্য করেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’র নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।

ওই মামলার অন্য আসামিরা হলেন— খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।