ব্যাটে বলে অবদান সাকিবের, কলকাতাকে হারিয়ে ফাইনালে হায়দরাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

ব্যাটিংয়ে ঝড়ো ইনিংসের পর বল হাতে আবারও দুর্বোধ্য রশিদ খান। ব্যাট হাতে মাঝারি ইনিংসের পর সাকিব আল হাসানের দারুণ বোলিং। এই দুই তারকার নৈপুণ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

শুক্রবার কলকাতার ইডেন গার্ডেনে সানরাইজার্সের করা ১৭৪ রানের জবাবে নাইট রাইডার্স থেমেছে ১৬১ রানে।  ১০ বলে ৩৪ রানের তাণ্ডব চালানো রশিদ বল হাতে ১৯ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। রোববার আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে খেলবে সাকিবরা।

প্রথম পর্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে এক ম্যাচে জয় আর এক ম্যাচ হেরেছিল সানরাইজার্স। সেই জয় ছিল কলকাতার মাঠেই। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচের ভেন্যু কলকাতা হওয়ায় দর্শক সমর্থন পেয়েছিল কেকেআর। তবে ওদের ঘরের মাঠে আবারও জিতল সানরাইজার্স। কলকাতাকে আগেরবার হারানোর ম্যাচে এই ইডেন গার্ডেনে ব্যাটে বলে অবদান রেখেছিলেন সাকিব। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও সাকিবকে পাওয়া গেছে একই রূপে।

ব্যাট হাতে ২৪ রান করার পর ৩ ওভার বল করে মাত্র ১৬ রান দিয়ে নিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।

কিছুটা মন্থর উইকেটে টস জিতে আগে ফিল্ডিং নিয়েছিল কলকাতা। কুলদিপ যাদব ও পিযুষ চাওলার স্পিনে শুরু থেকেই বেশ জড়োসড়ো ছিল সানরাইজার্সের ব্যাটিং। উইকেটের ভাবসাব দেখে সাকিবকে নামানো হয় চারে। ২৪ বলে ৪টি বাউন্ডারিতে ২৮ রান করে ফেরেন তিনি। দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান ও ঋদ্ধিমান সাহার ব্যাট থেকে আসে ৩৫ ও ৩৪ রানের ইনিংস। তবে সানরাইজার্সের শেষটা রাঙান রশিদ খান। বল হাতে দলের সেরা অস্ত্র এদিন ব্যাট হাতেও ছিলেন রাজা। নয় নম্বরে নেমে ১০ বলে করেছেন ৩৪ রান। দুই বাউন্ডারির সঙ্গে মেরেছেন চারটি ছক্কা।

১৭৪ রানের ভিত পেয়েই কিনা কেন উইলিয়ামসন প্রথম ছয় ওভার করালেন পেসারদের দিয়েই। পাওয়ার প্লের ওই ওভারগুলোতে বেদম মার খেয়েছেন হায়দরবাদের পেসাররা। ভুবনেশ্বর কুমার আর খলিল আহমেদকে পিটিয়ে ওভারপ্রতি ১০ করে রান তুলতে থাকে কলকাতা। সিদ্ধার্থ কাউল এসে তেতে থাকা সুনিল নারিনকে কাটলেও ক্রিস লিন ছিলেন টিকে। তার ব্যাটের ঝাঁজ থামিয়েছেন রশিদ খান। এই স্পিনারই পালটে দেন ম্যাচের ছবি।

পরে তার সঙ্গে যোগ দেন সাকিব। সাকিব, রশিদের ৭ ওভারের খেল খেতম। ৪ ওভারের কোটা পূরণ করে রশিদ ৩ উইকেট নিতে দিয়েছেন মাত্র ১৯ রান। আর মাত্র ১৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়া সাকিবের এক ওভার বাকিই রয়ে গেছে