জগদীশচন্দ্র বসুর ১৬১তম জন্মজয়ন্তীতে দিনব্যাপী আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর ১৬১তম জন্মজয়ন্তীতে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশন ও কলেজ কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আগামী শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) শ্রীনগরের বাড়িখালে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হবে এই জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীকে।

স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশন ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদ আজিজ বলেন,  “৩০ নভেম্বর সকালে স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর ভাস্কর্যে পুষ্প অর্পণের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হবে।”

চিত্রাঙ্কন ও ডিজিটাল কনটেন্ট প্রতিযোগিতা, স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর জীবন ও প্রকৃতি পাঠের উপর আলোচনা ছাড়াও শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা এবং প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হবে এদিন।

এই অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতায় থাকছে  শ্রীনগর উপজেলা প্রশাসন।
এতে উপস্থিত থাকবেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, শ্রীনগরের ইউএনও মো. জাহিদুল ইসলাম, বুয়েটের পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক জীবন পোদ্দার, বিজ্ঞান লেখন ও মণি সিংহ-ফরহাদ স্মৃতি ট্রাস্টের সভাপতি শেখর দত্ত এবং বিজ্ঞান লেখক ও গবেষক রুশো তাহের।
মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশন ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদ আজিজ।

জগদীশচন্দ্র বসু ছিলেন একাধারে পদার্থবিদ, উদ্ভিদবিদ, জীববিজ্ঞানী এবং একজন কল্পবিজ্ঞান রচয়িতা।

১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর ময়মনসিংহ শহরে জন্ম নেন জগদীশ চন্দ্র বসু। বাঙালি এই বিজ্ঞানীর পৈত্রিক বাড়ি মুন্সীগঞ্জের রাঢ়িখাল গ্রামে।

গাছের যে প্রাণ আছে- তা এই বাঙালি বিজ্ঞানীই প্রথম দেখিয়েছিলেন তার আবিষ্কৃত  ‘ক্রেস্কোগ্রাফ’ যন্ত্রে।

রেডিও আবিস্কারের পথ দেখানোর কৃতিত্বও তাকে দেওয়া হয়। ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স তাকে রেডিও বিজ্ঞানের জনক বলে অভিহিত করে।

১৯৩৭ সালের ২৩ নভেম্বর কলকাতায় মারা যান এই বিজ্ঞানী।