মোটরসাইকেল নিবন্ধনে অনিয়মের ছড়াছড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের নিবন্ধনের পর এক বছর না হলে যানবাহনের রাইড শেয়ারিং সেবায় যুক্ত হতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছে না বাংলাদেশে এই সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

অনেকটা বাছ-বিচার ছাড়াই যানবাহনকে মোবাইল অ্যাপে চলাচলের নিবন্ধন দিচ্ছে তারা। 

এই নিয়মের সবচেয়ে বেশি লংঘন ঘটছে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিআরটিএর নিবন্ধন নম্বর পাওয়ার পরদিনই রাইড শেয়ারিংয়ে যুক্ত হচ্ছে অনেক মোটরসাইকেল। এভাবে অনেক প্রাইভেট কারও রাইড শেয়ারিংয়ে চলাচল করছে বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

এ বিষয়ে চালকদের সঙ্গে কথা বললে অধিকাংশের ভাষ্য, নীতিমালার এ বিষয়টি তারা জানেন না। অ্যাপে নিবন্ধনের সময় রাইড শেয়ারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের এ বিষয়ে কিছু বলেনি।

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ‘পাঠাও’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এরমধ্যে চালকদের কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনে দিতে মোটরসাইকেল বিক্রি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিও করেছে।

রাইড শেয়ারিং সেবা ঢাকায় জনপ্রিয়তা পাওয়ায় ২০১৭ সালে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা করে সরকার। শর্ত ভঙ্গের জন্য প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধসহ দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে নীতিমালায়।

নীতিমালার ১০ ধারায় বলা হয়েছে, “ব্যক্তিগত মোটরযানে রেজিস্ট্রেশন গ্রহণের পর কমপক্ষে এক বছর অতিক্রান্ত না হলে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের আওতায় সেবা দিতে পারবে না।”

অর্থাৎ মোটরসাইকেল বা গাড়ি যেটাই হোক না কেন, তা নিবন্ধনের পর এক বছর পার হতে হবে এই সেবায় যুক্ত হওয়ার জন্য।

ওই নীতিমালার ‘ক’ অনুচ্ছেদের ৫ ধারায় বলা হয়েছে, রাইড শেয়ারিংয়ের আওতায় ব্যক্তিগত যানবাহন হতে হবে।

কিস্তিতে কেনা মোটরসাইকেলের মালিক ওই প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক। কিস্তির টাকা পরিশোধের পর ক্রেতা এর মালিক হবেন। সেক্ষেত্রে অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মোটরসাইকেল দিয়ে রাইড শেয়ারিং সেবা দেওয়া নীতিমালার লংঘন।