সঞ্চয়পত্রের ৮৩% বিক্রি অর্থবছরের পাঁচ মাসেই

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

২১ হাজার ৬৬২ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হলো
গত অর্থবছরে বিক্রি হয়েছে ৭৮ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র। ব্যাংক আমানতের সুদের চেয়ে এখনো দ্বিগুণ মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে সঞ্চয়পত্রে। ফলে ক্রমেই বাড়ছে সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণ। চলতি অর্থবছরের (জুলাই-নভেম্বর) প্রথম পাঁচ মাসে ২১ হাজার ৬৬২ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির মোট লক্ষ্যমাত্রার ৮২.৬৯ শতাংশ।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের পঞ্চম মাস নভেম্বরে নিট তিন হাজার ৮৩৩ কোটি টাকার ঋণ এসেছে সঞ্চয়পত্র থেকে। আলোচ্য সময়ে (জুলাই-নভেম্বর) আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মূল ও সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় হয়েছে ১৫ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। সুদ বাবদ পরিশোধ করা হয় ৯ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আগে বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল পরিশোধের পর যা অবশিষ্ট থাকে তাকে নিট বিক্রি বলা হয়। অর্থাৎ জাতীয় সঞ্চয় স্কিমগুলোতে বিনিয়োগকৃত অর্থের ওপর একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর মুনাফা দেয় সরকার। মেয়াদপূর্তির পরে বিনিয়োগকৃত অর্থও ফেরত দেওয়া হয়। প্রতি মাসে বিক্রি হওয়া সঞ্চয় স্কিমগুলোর প্রাপ্ত বিনিয়োগের হিসাব থেকে আগে বিক্রি হওয়া স্কিমগুলোর মূল ও মুনাফা বাদ দিয়ে নিট ঋণ হিসাব করা হয়। ওই অর্থ সরকারের কোষাগারে জমা থাকে এবং সরকার তা প্রয়োজন অনুযায়ী বাজেটে নির্ধারিত বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজে লাগায়। এ কারণে অর্থনীতির পরিভাষায় সঞ্চয়পত্রের নিট বিনিয়োগকে সরকারের ‘ঋণ’ বা ‘ধার’ হিসেবে গণ্য করা হয়।