মেকআপ কাণ্ডে মাহফুজ-পপির দ্বন্দ্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

নায়িকা সাদিকা পারভীন পপির মেকআপ ঠিক করে দিচ্ছেন এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজ চ্যানেলের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এই ছবিটি নিয়েই শুরু হয় মাহফুজুর রহমান ও পপির দ্বন্দ্ব।

ঘটনার সূত্রপাত ‘সাহসী যোদ্ধা’ চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের সময়। এই ছবিতে অভিনয় করছেন সাদিকা পারভীন পপি। কিছু দিন আগে এফডিসিতে ছবিটির শুটিংয়ের সময় মেকআপ করছিলেন চিত্রনায়িকা পপি। হঠাৎ সেই সেটে হাজির হন মাহফুজুর রহমান।

মেকআপম্যান ঠিকমতো মেকআপ করতে না পারায় মাহফুজুর রহমান নিজেই পপির মেকআপ ঠিক করে দেন। পরে এ ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। এ নিয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

মাহফুজুর রহমানের দাবি সেই ছবিটি পপি আপলোড করেছেন ফেসবুকে। আর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ড. মাহফুজুর রহমান আমার মেকাআপম্যান’। তবে পপি ছবির কিছুই জানেন না বলে জানান।

গত সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাওরান বাজারে এটিএন বাংলার কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে পপিকে উদ্দেশ্য করে মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘পপি একটা ছবি ছড়িয়ে দিয়েছিল, তাকে আমি মেকআপ করে দিচ্ছি। ওই শয়তান মেয়েটা এটি করল। সে আবার লিখেছে- এখন থেকে পপির নতুন মেকআপম্যান মাহফুজুর রহমান। কত জঘন্য কাজ এটি।’

মাহফুজুর রহমান আরো বলেন, ‘এ ঘটনার পর থেকে পপিকে এই এরিয়ার মধ্যে আমি ঢুকতে দিই না। আমি ওই হারামজাদী, শয়তানকে ক্ষমা করিনি। তখনই আমি তাকে ক্ষমা করব, যখন সে পা ধরে আমার কাছে মাফ চাইবে। আর এই ক্ষমা চাওয়ার দৃশ্য আমি টিভিতে দেখাব।’

এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে পপি বলেন, ‘আমি এমন কোনো কাজ করিনি, যে কারণে আমাকে তার পা ধরে ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি এমন বাজে বক্তব্য না দিলেই পারতেন। তাকে জেনে কথা বলা উচিৎ ছিল। কারণ ‘সাহসী যোদ্ধা’ ছবির শুটিং সেটে এসে আমার মেকআপ ঠিক করে দিচ্ছিলেন মাহফুজুর রহমান। তখন তারই কোন লোক সেটা তুলে ফেসবুকে দিয়ে দেন। আমি তো এসব কিছুই জানি না।’

পপি বলেন, ‘মাহফুজুর রহমান একটি টেলিভিশন চ্যানেলের মালিক। তিনি আমার কাছে সম্মানের। আমি কখনও কারও সম্পর্কে কোনো খারাপ মন্তব্য করি না। অথচ তিনি খারাপ মন্তব্য করলেন আমাকে নিয়ে। তার উচিত নারীদের সম্মান দিয়ে কথা বলা। এভাবে কোনো নারীকে অপমানসূচক কথা তিনি বলতে পারেন না। তিনি কী আমাকে ছবিটি নিয়ে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারবেন? আমি কোথায় এই ছবিটি প্রকাশ করেছি। না জেনে তার এমন করা ঠিক হয়নি।’