কাঠমান্ডু ট্র্যাজেডি : চলেই গেলেন শাহীন ব্যাপারী

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

অবশেষে চলেই গেলেন শাহীন ব্যাপারী। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে আজ সোমবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দুপুর থেকেই ‘লাইফ সাপোর্টে’ ছিলেন শাহীন।

গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজের যাত্রী ছিলেন শাহীন। বিকেলে সাংবাদিকদের তাঁর মৃত্যুর খবর জানান বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী সামন্ত লাল সেন। শাহীন ব্যাপারীর জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডেরও প্রধান তিনি।

সামন্ত লাল সেন জানিয়েছেন, দেশে আনার পর থেকেই শাহীন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ছিলেন শাহীন। আজ দুপুর থেকে শাহীনের অবস্থা অবনতি হতে থাকে। পরে তাঁকে দ্রুত লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানেও পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক ছিল।

গত ১২ মার্চ নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয় বেসরকারি এয়ারলাইনস ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ। ওই দুর্ঘটনায় শাহীনের আগে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৫১ জন নিহত হয়েছেন। বিমানটিতে ৭১ আরোহী ছিলেন।

গত ১৮ মার্চ কাঠমান্ডু থেকে দেশে আনা হয় শাহীনকে। দেশে আনার পরই তাঁকে দ্রুত নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। শাহীনের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায়। তবে তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে থাকেন নারায়ণগঞ্জের আদমজী এলাকায়। সদরঘাটে অবস্থিত করিম অ্যান্ড সন্স নামে একটি কাপড়ের দোকানে চাকরি করতেন তিনি।

শাহীনের স্ত্রীর নাম রিমা। তাঁর আট বছরের একটি মেয়ে আছে। তাঁর নাম সূচনা।