দুদকের আপিলের গ্রহণযোগ্যতার শুনানি বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেওয়া বিচারিক আদালতের সাজা বৃদ্ধির আপিল গ্রহণ করা হবে কিনা সে বিষয়ে শুনানির জন্য আগামীকাল বুধবার (২৮ মার্চ) দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আপিল আবেদনটি উপস্থাপন করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

খুরশীদ আলম বলেন, ‘একই মামলায় অন্য আসামিদের ১০ বছর করে অথচ মূল আসামি খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সাজা দেওয়ায় আমরা (দুদক) সংক্ষুব্ধ। এ কারণেই সাজা বাড়াতে আমরা আপিল করেছি। আবেদনে আমরা এটি মেনশন করেছি। আগামীকাল আবেদনটির গ্রহণযোগ্যতার শুনানি হবে।’

খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা দুদকের এই আপিলকে সরকারের হস্তক্ষেপ বলে মনে করছে। বিএনপি’র আইনজীবীদের এমন ধারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছেন, সরকারের মদদপুষ্ট হয়ে দুদক এ আবেদন (আপিল) করেছে। এটা মোটেও ঠিক না। যখন আপিল বিভাগে জামিনের শুনানি হয় তখন আমরা আদালতকে বলেছি বিচারিক আদালতের এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট না। এটা অপর্যাপ্ত সাজা। তখন আদালত আমাদের জিজ্ঞাসা করেছিল আমরা কিছু করেছি (সাজার বিরুদ্ধে আপিল) কিনা। জবাবে আমরা আদালতকে বলেছিলাম, বিষয়টি  দুদক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আপিলটি করি।’

বেশ কিছু বিষয় বিবেচনায় খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালত মামলার সহযোগী আসামিদের থেকে কম সাজা দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে খুরশীদ আলম খানের বক্তব্য হলো, ‘আপিল আবেদনে বিচারিক আদালতের সেই গ্রাউন্ডগুলোকেই চ্যালেঞ্জ (আপিল আবেদনে) করেছি। এসব গ্রাউন্ডে অপর্যাপ্ত সাজা দেওয়া যায় না। আইন এটা অনুমোদন করে না।’

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন রাজধানীর বকশী বাজারে স্থাপিত অস্থায়ী পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই তাকে ওই দিন বিকালে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি সেখানেই আছেন।