দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এইচআইভি ভাইরাস মুক্ত হলেন ব্রিটিশ রোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

লিহান লিমা: দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এইডস রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন এক ব্রিটিশ রোগী। বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে এইচআইভি ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পান তিনি। আরোগ্য লাভ করা ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায় নি। গার্ডিয়ান, ডেইলি মেইল

২০০৩ সালে ওই রোগীর শরীরে এইচআইভি ভাইরাস ধরা পড়ে, ২০১২ সাল থেকে তিনি এই ভাইরাসের সুরক্ষায় ঔষধ নেয়া শুরু করেন। এরপর তার ক্যান্সার ধরা পড়ে এবং ২০১৬ সালে তিনি স্টিম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে রাজি হন। এরপর তার চিকিৎসকরা, এইচআইভি ভাইরাস প্রতিরোধে প্রাকৃতিকভাবেই সক্ষম এমন জীনদাতা খুঁজে বের করেন। এইচআইভি ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে এমন জিন থাকা ব্যক্তি ইউরোপে মাত্র ১ শতাংশ। বার্লিনের রোগি টিমোথি রায় ব্রাউনের এইচআইভি থেকে মুক্তি পাওয়ার এক দশক পর আবার এই সফল অপারেশন হলো। এই ১২ বছরের মধ্যে জীবনের ঝুঁকিপূর্ণ এই অপারেশন একটিও সফল হয় নি। অনেকগুলোই ভয়াবহ পরিণতি ডেকে এনেছে।


 
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই খবর এইডস রোগের জন্য দায়ী এইচআইভি ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এক মাইলস্টোন। তবে তারা সতর্ক করে বলেন, এই খবর বিশ্বের ৩ কোটি ৭০ লাখ ব্যক্তির ভাগ্যে কোন পরিবর্তন আনবে না। সুস্থ হওয়া এই দুই ব্যক্তিই এইচআইভি ভাইরাসের পাশাপাশি ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে ছিলেন। বার্লিনের রোগি লিউকোমিয়া এবং লন্ডনের রোগি হোজকিন লাইমপোমায় ভুগছিলেন। তাদের জন্য স্টিম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট ছিলো বাঁচার জন্য সর্বশেষ উপায়। অন্যদের ক্ষেত্রে এটি ভয়ঙ্কর এবং এইচআইভ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ঔষধ সেবনের তুলনায় অপ্রয়োজনীয়। ঔষধই তাদের সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবন-যাপনে সহায়তা করবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজলিহান লিমা: দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এইডস রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন এক ব্রিটিশ রোগী। বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে এইচআইভি ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পান তিনি। আরোগ্য লাভ করা ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায় নি। গার্ডিয়ান, ডেইলি মেইল

২০০৩ সালে ওই রোগীর শরীরে এইচআইভি ভাইরাস ধরা পড়ে, ২০১২ সাল থেকে তিনি এই ভাইরাসের সুরক্ষায় ঔষধ নেয়া শুরু করেন। এরপর তার ক্যান্সার ধরা পড়ে এবং ২০১৬ সালে তিনি স্টিম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে রাজি হন। এরপর তার চিকিৎসকরা, এইচআইভি ভাইরাস প্রতিরোধে প্রাকৃতিকভাবেই সক্ষম এমন জীনদাতা খুঁজে বের করেন। এইচআইভি ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে এমন জিন থাকা ব্যক্তি ইউরোপে মাত্র ১ শতাংশ। বার্লিনের রোগি টিমোথি রায় ব্রাউনের এইচআইভি থেকে মুক্তি পাওয়ার এক দশক পর আবার এই সফল অপারেশন হলো। এই ১২ বছরের মধ্যে জীবনের ঝুঁকিপূর্ণ এই অপারেশন একটিও সফল হয় নি। অনেকগুলোই ভয়াবহ পরিণতি ডেকে এনেছে।


 
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই খবর এইডস রোগের জন্য দায়ী এইচআইভি ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এক মাইলস্টোন। তবে তারা সতর্ক করে বলেন, এই খবর বিশ্বের ৩ কোটি ৭০ লাখ ব্যক্তির ভাগ্যে কোন পরিবর্তন আনবে না। সুস্থ হওয়া এই দুই ব্যক্তিই এইচআইভি ভাইরাসের পাশাপাশি ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে ছিলেন। বার্লিনের রোগি লিউকোমিয়া এবং লন্ডনের রোগি হোজকিন লাইমপোমায় ভুগছিলেন। তাদের জন্য স্টিম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট ছিলো বাঁচার জন্য সর্বশেষ উপায়। অন্যদের ক্ষেত্রে এটি ভয়ঙ্কর এবং এইচআইভ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ঔষধ সেবনের তুলনায় অপ্রয়োজনীয়। ঔষধই তাদের সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবন-যাপনে সহায়তা করবে।