জিনাত হুদার পদত্যাগ দাবিতে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দেবে ছাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিনাত হুদার পদত্যাগ দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেছে হলের ছাত্রীরা। গণস্বাক্ষর সংগ্রহ শেষে তা স্মারকলিপি আকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের কাছে দেয়া হবে।

|আরো খবর
প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো গাড়িতে কেন যাননি ভিপি নুর?
শোভনের ভবিষ্যত নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
মিলেমিশে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী: ডাকসু ভিপি
বাংলাদেশ জার্নালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পুনরায় রোকেয়া হল সংসদে নির্বাচন, হল প্রভোস্টের পদত্যাগসহ চার দাবিতে অনশনকারীদের অন্যতম, স্বতন্ত্র জোট থেকে ডাকসুতে আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে নির্বাচনকারী রোকেয়া হলের ছাত্রী শ্রবণী শফিক দীপ্তি।

এর আগে গত বুধবার রাতে হল প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে রোকেয়া হলের সামনে অনশনে বসেন পাঁচ ছাত্রী। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, রোকেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস গোলাম রাব্বানী ও এজিএস সাদ্দাম হোসেন। তারা এসে ছাত্রীদের আন্দোলন বন্ধ করতে বলেন। কিন্তু প্রভোস্ট পদত্যাগ না করলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে জানায়। ছাত্রীদের তোপের মুখে রোকেয়া হল প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন জিনাত হুদা। এরপর ছাত্রীরা অনশন ত্যাগ করে দাবি মেনে নিতে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে আল্টিমেটামের সময় শেষ হলে ছাত্রীরা হল প্রভোস্ট, হাউজ টিউটর ও অফিস রুমে তালা দেয়। এখন পর্যন্ত সে তালা খোলা হয় নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রবণী শফিক দীপ্তি বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, হলের প্রভোস্ট আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, আবার বিভিন্ন টকশোতে আমাদের আন্দোলন নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। বলেছে, আমাদের আন্দোলন নাকি চার-পাঁচজনের আন্দোলন। কিন্তু মিডিয়ার কল্যাণে সবাই জানে, এ আন্দোলনে রোকেয়া হলের ছাত্রীরা স্বতস্ফুর্তভাবে অংশ নিয়েছে। তিনি নৈতিকভাবে হলের ছাত্রীদের প্রভোস্ট হওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন। এজন্য আমরা তার পদত্যাগ চাই।

দীপ্তি বলেন, আমরা হল প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত ৫০০ এর বেশি ছাত্রী স্বাক্ষর করেছে। ১৫০০-২০০০ স্বাক্ষর হলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের কাছে তা স্মারকলিপি আকারে দিবো আমরা।