ব্রুনাইয়ে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

ব্রুনাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপিত হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

শনিবার এই অনুষ্ঠানে শিশুরা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, তরজমা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার জন্য মাগফেরাত ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এরপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধূর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, উন্মুক্ত আলোচনা এবং শেষে শিশু-কিশোরদের অংশ গ্রহণে কবিতা আবৃতি ও গান এবং নৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার অংশগ্রহণকারী শিশুকিশোরদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মাহমুদ হোসেন শিশুদের দেশকে ভালোবাসার এবং দেশকে জানার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মদিন সকল শিশুর জন্যই আনন্দের দিন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি বিশেষত শিশুদের প্রতি তার ভালবাসা ছিলো অসীম ও কুন্ঠাহীন। তিনি শিশুদেরকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বরোপ আরোপ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আগত সকল বিদেশি অতিথি বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে ও তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করাতে হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং প্রাণসঞ্চার করে। ব্রুনাইয়ের জাতীয় পত্রিকা ‘বর্নিও বুলেটিন’ বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের খবরটি বিশেষ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ব্রুনাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপিত হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

শনিবার এই অনুষ্ঠানে শিশুরা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, তরজমা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার জন্য মাগফেরাত ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এরপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধূর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, উন্মুক্ত আলোচনা এবং শেষে শিশু-কিশোরদের অংশ গ্রহণে কবিতা আবৃতি ও গান এবং নৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার অংশগ্রহণকারী শিশুকিশোরদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মাহমুদ হোসেন শিশুদের দেশকে ভালোবাসার এবং দেশকে জানার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মদিন সকল শিশুর জন্যই আনন্দের দিন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি বিশেষত শিশুদের প্রতি তার ভালবাসা ছিলো অসীম ও কুন্ঠাহীন। তিনি শিশুদেরকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বরোপ আরোপ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আগত সকল বিদেশি অতিথি বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে ও তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করাতে হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং প্রাণসঞ্চার করে। ব্রুনাইয়ের জাতীয় পত্রিকা ‘বর্নিও বুলেটিন’ বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের খবরটি বিশেষ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ব্রুনাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপিত হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

শনিবার এই অনুষ্ঠানে শিশুরা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, তরজমা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার জন্য মাগফেরাত ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এরপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধূর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, উন্মুক্ত আলোচনা এবং শেষে শিশু-কিশোরদের অংশ গ্রহণে কবিতা আবৃতি ও গান এবং নৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার অংশগ্রহণকারী শিশুকিশোরদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মাহমুদ হোসেন শিশুদের দেশকে ভালোবাসার এবং দেশকে জানার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মদিন সকল শিশুর জন্যই আনন্দের দিন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি বিশেষত শিশুদের প্রতি তার ভালবাসা ছিলো অসীম ও কুন্ঠাহীন। তিনি শিশুদেরকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বরোপ আরোপ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আগত সকল বিদেশি অতিথি বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে ও তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করাতে হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং প্রাণসঞ্চার করে। ব্রুনাইয়ের জাতীয় পত্রিকা ‘বর্নিও বুলেটিন’ বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের খবরটি বিশেষ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ব্রুনাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপিত হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

শনিবার এই অনুষ্ঠানে শিশুরা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, তরজমা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার জন্য মাগফেরাত ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এরপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধূর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, উন্মুক্ত আলোচনা এবং শেষে শিশু-কিশোরদের অংশ গ্রহণে কবিতা আবৃতি ও গান এবং নৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার অংশগ্রহণকারী শিশুকিশোরদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মাহমুদ হোসেন শিশুদের দেশকে ভালোবাসার এবং দেশকে জানার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মদিন সকল শিশুর জন্যই আনন্দের দিন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি বিশেষত শিশুদের প্রতি তার ভালবাসা ছিলো অসীম ও কুন্ঠাহীন। তিনি শিশুদেরকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বরোপ আরোপ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আগত সকল বিদেশি অতিথি বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে ও তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করাতে হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং প্রাণসঞ্চার করে। ব্রুনাইয়ের জাতীয় পত্রিকা ‘বর্নিও বুলেটিন’ বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের খবরটি বিশেষ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ব্রুনাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপিত হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

শনিবার এই অনুষ্ঠানে শিশুরা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, তরজমা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার জন্য মাগফেরাত ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এরপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধূর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, উন্মুক্ত আলোচনা এবং শেষে শিশু-কিশোরদের অংশ গ্রহণে কবিতা আবৃতি ও গান এবং নৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার অংশগ্রহণকারী শিশুকিশোরদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মাহমুদ হোসেন শিশুদের দেশকে ভালোবাসার এবং দেশকে জানার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মদিন সকল শিশুর জন্যই আনন্দের দিন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি বিশেষত শিশুদের প্রতি তার ভালবাসা ছিলো অসীম ও কুন্ঠাহীন। তিনি শিশুদেরকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বরোপ আরোপ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আগত সকল বিদেশি অতিথি বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে ও তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করাতে হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং প্রাণসঞ্চার করে। ব্রুনাইয়ের জাতীয় পত্রিকা ‘বর্নিও বুলেটিন’ বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের খবরটি বিশেষ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ব্রুনাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপিত হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

শনিবার এই অনুষ্ঠানে শিশুরা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, তরজমা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার জন্য মাগফেরাত ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এরপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধূর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, উন্মুক্ত আলোচনা এবং শেষে শিশু-কিশোরদের অংশ গ্রহণে কবিতা আবৃতি ও গান এবং নৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার অংশগ্রহণকারী শিশুকিশোরদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মাহমুদ হোসেন শিশুদের দেশকে ভালোবাসার এবং দেশকে জানার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মদিন সকল শিশুর জন্যই আনন্দের দিন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি বিশেষত শিশুদের প্রতি তার ভালবাসা ছিলো অসীম ও কুন্ঠাহীন। তিনি শিশুদেরকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বরোপ আরোপ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আগত সকল বিদেশি অতিথি বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে ও তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করাতে হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং প্রাণসঞ্চার করে। ব্রুনাইয়ের জাতীয় পত্রিকা ‘বর্নিও বুলেটিন’ বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের খবরটি বিশেষ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ব্রুনাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপিত হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

শনিবার এই অনুষ্ঠানে শিশুরা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, তরজমা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার জন্য মাগফেরাত ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এরপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধূর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, উন্মুক্ত আলোচনা এবং শেষে শিশু-কিশোরদের অংশ গ্রহণে কবিতা আবৃতি ও গান এবং নৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার অংশগ্রহণকারী শিশুকিশোরদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মাহমুদ হোসেন শিশুদের দেশকে ভালোবাসার এবং দেশকে জানার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মদিন সকল শিশুর জন্যই আনন্দের দিন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি বিশেষত শিশুদের প্রতি তার ভালবাসা ছিলো অসীম ও কুন্ঠাহীন। তিনি শিশুদেরকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বরোপ আরোপ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আগত সকল বিদেশি অতিথি বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে ও তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করাতে হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং প্রাণসঞ্চার করে। ব্রুনাইয়ের জাতীয় পত্রিকা ‘বর্নিও বুলেটিন’ বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের খবরটি বিশেষ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ব্রুনাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপিত হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

শনিবার এই অনুষ্ঠানে শিশুরা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, তরজমা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার জন্য মাগফেরাত ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এরপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধূর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, উন্মুক্ত আলোচনা এবং শেষে শিশু-কিশোরদের অংশ গ্রহণে কবিতা আবৃতি ও গান এবং নৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার অংশগ্রহণকারী শিশুকিশোরদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মাহমুদ হোসেন শিশুদের দেশকে ভালোবাসার এবং দেশকে জানার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মদিন সকল শিশুর জন্যই আনন্দের দিন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি বিশেষত শিশুদের প্রতি তার ভালবাসা ছিলো অসীম ও কুন্ঠাহীন। তিনি শিশুদেরকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বরোপ আরোপ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আগত সকল বিদেশি অতিথি বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে ও তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করাতে হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং প্রাণসঞ্চার করে। ব্রুনাইয়ের জাতীয় পত্রিকা ‘বর্নিও বুলেটিন’ বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের খবরটি বিশেষ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি