অরিত্রী আত্মহত্যা: তিন শিক্ষিকার হাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তিন শিক্ষিকা আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।

 

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী পরবর্তী দিন নির্ধারণ করে আদেশ দেন।

আজ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল এবং আসামিদের হাজিরার দিন ধার্য ছিল। তারা হলেন— ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিন্নাত আরা ও শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনা। তবে তারা হাজিরা দিলেও তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ১০ এপ্রিল দিন ধার্য করে আদালত।

২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৯ ডিসেম্বর তিনি জামিন পান। আর এবছরের ১৪ জানুয়ারি অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, জিন্নাত আরা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তাদের জামিন দেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ, গত ২ ডিসেম্বর স্কুলে পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষকরা অরিত্রীর কাছে একটি মোবাইল ফোন পান। মোবাইলে নকল করার অভিযোগে অরিত্রীর মা-বাবাকে স্কুলে আসতে বলা হয়। ৩ ডিসেম্বর অরিত্রীকে নিয়ে তার মা-বাবা স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করেন, কক্ষ থেকে বের করে দেন এবং মেয়ের টিসি (স্কুল থেকে দেওয়া ছাড়পত্র) নিয়ে যেতে বলেন। অরিত্রীর মা-বাবা প্রিন্সিপালের কক্ষে গেলে তিনিও তাদের সঙ্গে একই আচরণ করেন।

এসময় অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে বাসায় চলে যায়। পরে অরিত্রীর অভিভাবকরা তাদের শান্তিনগরের বাসায় ফিরে এসে দেখতে পান— অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে। তখন অরিত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকেমৃত ঘোষণা করেন।

৪ ডিসেম্বর অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী রাজধানীর পল্টন থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।