প্রকাশ হলো অনন্ত জলিলের টাকা আত্মসাৎকারী মূলহোতার নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় মুখ ও ব্যবসায়ী অনন্ত জলিলের প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫৭ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে তারই গাড়িচালক।


রোববার (৭ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এমনটাই জানিয়েছিলেন অনন্ত। এ বিষয়ে ঘটনার দিনই সাভার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযুক্ত গাড়িচালক মো. শহিদ মিয়াকে (৩৭) ধরিয়ে দিতে পারলে পুরস্কৃত করা হবে বলে ঘোষণা দেন এই অভিনেতা।

এবার তিনি জানালেন, এই অর্থ আত্মসাতের মূল হোতার নাম।

এজেআই গ্রুপের কর্ণধার অনন্ত জলিল রোববার রাতে বলেন, ‘এই ঘটনার মূল হোতা জহিরুল ইসলাম। তার পরিকল্পনায় এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সে আমার কম্পানির হিসাবরক্ষক এবং পলাতল গাড়িচালকের সঙ্গে তার গভীর যোগাযোগ রয়েছে।’
অনন্ত জলিলের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে জহিরুল ইসলামকে তার কর্মস্থল থেকে আটক করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে অনন্ত জলিল বলেন, জহিরুল জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তিনি টাকা আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এই ঘটনার দ্বিতীয় আসামী শহীদ মিয়া কোথায় গা ঢাকা দিয়েছেন তা জানা যায়নি।’

থানায় করা গতকালের মামলায় উধাও হয়ে যাওয়া গাড়িচালকের সঙ্গে মূল পরিকল্পনাকারীর নামও রয়েছে।

গতকালে সাভার থানায় করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রোববার (৭ এপ্রিল) একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দীর্ঘদিন পরিকল্পনা করে ৫৭ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে হাতিয়ে নেয়।

অভিযোগে আরও লেখা রয়েছে, অনন্তর ব্যবহৃত গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো চ-৫৩-২০৫৯) সাভার মডেল থানাধীন পার্বতী নগর সোনালী ব্যাংক শাখার সামনে রেখে পালিয়ে যায় এর চালক।

এর আগে অনন্ত জলিল তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গতকাল বিকাল ৫টায় একটি স্ট্যাটাস দেন।

তার সেই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো, ‘আমার ভক্তদের কাছে আমি আজকে একটি সাহায্য চাচ্ছি। আপনারা সবাই জানেন ১৯৯৬ সাল থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত এ জে আই গ্রুপ সুনামের সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছে।

আজ আমার ফ্যাক্টরির এক ড্রাইভার মো. শহিদ মিয়া ৫৩ লক্ষ টাকা ফ্যাক্টরির গ্যাস বিল না দিয়ে টাকা গুলো নিয়ে পালিয়ে গেছে। ফ্যাক্টরির ফ্যাক্টরির একজন একাউন্টেন্ট মো. জহির তার সঙ্গে ছিল জহির সোনালী ব্যাংকে ভ্যাট দিতে ঢুকে ছিল এবং গাড়িতে টাকাগুলো সহ ড্রাইভারকে সাবধানে দেখাশোনার জন্য বলে গিয়েছিল। জহির সোনালী ব্যাংকে যাওয়ার পর সে সুযোগ বুঝে টাকাগুলো নিয়ে গাড়ি রেখে পালিয়ে যায়।

আমি তার যাবতীয় ইনফরমেশন শেয়ার করলাম। অলরেডি থানায় মামলা করা হয়েছে। যে এই প্রতারককে ধরিয়ে দিতে পারবে তাকে আমি অনন্ত জলিল নিজ হাতে পুরস্কৃত করবো ইনশাল্লাহ।’