চলতি বছর জ্বালানি তেল এলএনজি ও কৃষিপণ্যের দাম কমবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল হওয়ায় চলতি বছর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমার পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০১৯ সালে পণ্যটির গড়দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৬ ডলার এবং ২০২০ সালে তা কমে ৬৫ ডলারে ঠেকবে- যা বিশ্বব্যাংকের অক্টোবরের পূর্বাভাসের তুলনায় কম।

 

এ সময় তেলের সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও কয়লার দামও কমতে পারে। এছাড়া একই সময়ে বিভিন্ন ধরনের ধাতুর দাম বাড়বে এবং কৃষিপণ্যের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমতে পারে বলে মনে করে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক-২০১৯’তে বৈশ্বিক পণ্যবাজার নিয়ে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ছয় মাস পর পর এ ধরনের পূর্বাভাস প্রকাশ করে সংস্থাটি। সর্বশেষ পূর্বাভাসটি ওয়াশিংটন থেকে বুধবার রাতে প্রকাশ করা হয়।

 

২০১৮ সালের শেষের দিকে দাম কমার পর এ বছরের শুরু থেকেই তেলের দাম ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে জ্বালানি জাতীয় পণ্য যেমন- প্রাকৃতিক গ্যাস ও কয়লার দাম ২০১৮ সালের তুলনায় ৫ দশমিক ৪ শতাংশ কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) গড়দাম (জাপানে সরবরাহের ক্ষেত্রে) প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থারমাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) ৭ ডলার ৪ সেন্টে নামতে পারে, যা ২০১৮ সালে ছিল ১০ ডলার ৪ সেন্ট। কয়লার দরও কমবে। চলতি বছর শেষে প্রতি টন কয়লার গড়মূল্য কমে ৯৪ ডলারে নামবে, যা আগে ছিল ১০৭ ডলার।

বাংলাদেশ বিশ্ববাজার থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও কয়লা আমদানি করে। গ্যাসও আমদানি শুরু করেছে, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বিশ্বব্যাপী জাহাজ ভাড়া বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তা অন্যান্য পণ্য আমদানির খরচ বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে বিশেষ করে ভোজ্যতেল, চিনি, গম, চাল ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লে দেশের নিু আয়ের মানুষের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ে।