প্রযুক্তি জায়ান্টদের যেসব ভবিষ্যদ্বাণী এখন বাস্তব

নিজস্ব প্রতিবেদক | র‍্যাপিড পিআর নিউজ.কম

আজ থেকে ২০ বছর পর কোন কোন প্রযুক্তি মানুষ ব্যবহার করবে সে ব্যাপারে হয়তো স্পষ্ট ধারণা দিতে পারবেন প্রযুক্তিবিদরা।

তবে প্রযুক্তি ব্যবসায়ীরাও কম যান না। দূরদৃষ্টি আছে বলেই তো স্টিভ জবস ও বিল গেটসের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলো টেক জায়ান্টের তকমা পেয়েছে।

২০০০ সালের আগেই তারা এমন কিছু প্রযুক্তির বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যেগুলো এখন ডাল ভাতের মতো সাধারণ হয়ে গেছে।

ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট : ১৯৮৪ সালে অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্টিভ জবস নিউজ উইক ম্যাগাজিনকে বলেছিলেন, পরবর্তী ধাপে কম্পিউটারকে প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এটি এমনভাবে কথা বলবে যেন মনে হবে বক্সের ভেতরে কেউ আছে।

আপনি কী চান তা সে আগেভাগেই অনুমান করবে। ছোট বক্সটি নিয়ে ঘুরতে পারাটা খুব দারুণ কিছুই হবে। বর্তমানে আইফোনের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট সিরিকে নির্দেশনা দিয়ে অনেক কাজ করানো যায়।

স্টোরেজ : ১৯৯৬ সালে উইয়ার্ড সংবাদ মাধ্যমকে স্টিভ জবস জানান, জরুরি কাজগুলো মাথায় রাখতে নিজেকে ইমেইল করেন তিনি। এতে করে তার স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না। ২০১১ সালে আই ক্লাউড চালু করে অ্যাপল। ক্লাউড স্টোরেজটিতে যাবতীয় ডকুমেন্ট, ছবি ও ভিডিও ফাইল জমা রাখা যায়।

সিকিউরিটি ক্যামেরা : বাসায় সর্বক্ষণ কী হচ্ছে না হচ্ছে তা ভিডিওতে দেখা যাবে। তাই বাসায় না থাকলেও বাড়িতে কে এসেছিল তা ভিডিও দেখা জানা যাবে। এই প্রযুক্তি বহুলভাবে ব্যবহার করা হবে। ১৯৯৯ সালে লেখা বিজনেস দ্য স্পিড অব লাইট বইয়ে তিনি এ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। বর্তমানে বাসা বাড়ি ও রাস্তাঘাটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে এখন সিসিটিভি ব্যবহৃত হচ্ছে।

কথা শুনবে ডিভাইস : একই বইয়ে তিনি এটাও লিখেছিলেন ডিভাইসগুলোতে পছন্দের পণ্যের বিজ্ঞাপন ক্রমান্বয়ে দেখা যাবে। সত্যি সত্যিই এ যুগে ফোনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কথা শোনে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম। কথার সূত্র ধরে তারা বিজ্ঞাপন দেখিয়ে থাকে।

অনলাইনে সবই কেনা হবে : অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজস ১৯৯৯ সালে উইয়ার্ডকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, মুদির দোকানের জিনিসগুলো মানুষ অনলাইন থেকেই কিনবে। ২০২০ সাল নাগাদ খাবার, কাগজ, পরিস্কারক এসব অনলাইনে অর্ডার করবে সাধারণ মানুষ।