spot_img
spot_img

মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯, বিকাল ৩:১৯

সর্বশেষ
বাগমারা প্রেসক্লাবের সভাপতি ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতার, দ্রুত মুক্তির দাবি মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে অতিরিক্ত গতির গাড়ির বিরুদ্ধে তৎপর হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হেলমেট পরিধানে উদ্বুদ্ধ করছে হাইওয়ে পুলিশ খুলনায় বিএনপির মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ বাগেরহাটে র‌্যাবের ভেজাল বিরোধী অভিযান, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা ইসলামী ব্যাংক ও পার্কভিউ হসপিটাল-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড-এর মধ্যে ‘মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটারের বিল প্রদান’ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর
প্রচ্ছদসারাদেশচাঁদপুরে বন্যায় পানিবন্ধি ২১ ইউনিয়নের ১৬ হাজার ৩'শ লোক!

চাঁদপুরে বন্যায় পানিবন্ধি ২১ ইউনিয়নের ১৬ হাজার ৩’শ লোক!


চাঁদপুরে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারনে নদীতে পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে ৪ উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের প্রায় ১৬ হাজার ৩’শ লোক পানিবন্ধি হয়ে পরেছে। শুধু তাই নয় এর সাথে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আরো ৬৫ হাজার ২’শ লোক। যাদের তথ্য জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে জমা হয়েছে।

এক তথ্যে দেখা যায়, জেলায় চলতি বছরের ১৫ই জুলাই হতে ৭ই আগষ্ট সময়ের মধ্যে ৪ উপজেলা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এরমধ্যে চাঁদপুর সদরের ৮টি ইউনিয়নের ১৩’শ লোক পানিবন্ধি এবং ৫ হাজার ২’শ লোক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। হাইমচরের ৪ ইউনিয়নে পানিবন্ধি ১৫ হাজার লোক এবং ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন ৬০ হাজার মানুষ। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মতলব উত্তরের ৮টি ইউনিয়ন এবং মতলব দক্ষিণে ৩টি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে ওই তথ্যে পানিবন্ধি ও ক্ষতিগ্রস্থ লোকের সংখ্যা পাওয়া যায়নি।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে আরো জানা যায়, এখন পর্যন্ত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের দেওয়ার জন্য ৬ লক্ষ মেট্রিক টন চাল, নগদ ১০ লক্ষ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ৬ লক্ষ, গো-খাদ্যের জন্য ১৪ লক্ষ এবং ৯ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ১০ই আগষ্ট সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা কে. বি. এম. জাকির হোসেন জানান, বরাদ্দকৃত ত্রাণের মধ্যে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে আমরা ৪ লক্ষ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৬ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ৪ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা, গো-খাদ্যের জন্য ১০ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা এবং ৭ হাজার ১’শ প্যাকেট শুকনো খাবার ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা কে. বি. এম. জাকির হোসেন আরো জানান, আমাদের কাছে বরাদ্দকৃত ত্রাণের মধ্যে এখনো ২ লক্ষ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ১ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা, গো-খাদ্যের জন্য ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা এবং ১ হাজার ৯’শ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ রয়েছে। জরুরী প্রয়োজনে বন্যার্তদের পাশে আমাদের ত্রাণ সহযোগিতা এভাবেই অব্যাহত থাকবে। এদিকে এক তথ্যে জানা যায়, বন্যায় শুধুমাত্র হাইমচরেই নদীভাঙ্গনের কবলিত হয়েছে ৪’শ ১৫টি পরিবার। যারা বর্তমানে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছে। তাই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ স্বচ্ছ ও সুষমভাবে বন্টনের দাবী সুধীমহলের।

বার্তা প্রেরক
অমরেশ দত্ত জয়
চাঁদপুর প্রতিনিধি

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত