spot_img
spot_img

বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯, সকাল ৮:০১

সর্বশেষ
বাগমারা প্রেসক্লাবের সভাপতি ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতার, দ্রুত মুক্তির দাবি মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে অতিরিক্ত গতির গাড়ির বিরুদ্ধে তৎপর হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হেলমেট পরিধানে উদ্বুদ্ধ করছে হাইওয়ে পুলিশ খুলনায় বিএনপির মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ বাগেরহাটে র‌্যাবের ভেজাল বিরোধী অভিযান, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা ইসলামী ব্যাংক ও পার্কভিউ হসপিটাল-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড-এর মধ্যে ‘মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটারের বিল প্রদান’ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইভাঙ্কাকে যে আত্মম্ভরী ও দাম্ভিকতার শিক্ষায় বড় করেছেন ট্রাম্প, বান্ধবীর বিস্ফোরক দাবি

ইভাঙ্কাকে যে আত্মম্ভরী ও দাম্ভিকতার শিক্ষায় বড় করেছেন ট্রাম্প, বান্ধবীর বিস্ফোরক দাবি





ডোনাল্ড ট্রাম্প, আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট। নানা ইস্যুতে বছরজুড়েই তিনি থাকেন গণমাধ্যমের শিরোনামে। সবশেষ দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করেও গণমাধ্যমের শিরোনামে জায়গা করে নেন ট্রাম্প। এই নির্বাচনে তিনি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হেরে গেছেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এখনও পরাজয় স্বীকার করে নেননি। বরং এখনও ভোটে কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করে যাচ্ছেন। তবে সেই অভিযোগের পক্ষে কোনও তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দুঃসময়ে আবারও সামনে এসেছে তার পারিবারিক তথ্য। মেয়ে ইভাঙ্কাকে কিভাবে বড় করেছেন ট্রাম্প, সেই তথ্য সামনে এনে রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন তার বান্ধবী লিসান্দা অরস্ট্রম। তিনি ছিলেন তার বাল্যকালের বান্ধবী। ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’ ম্যাগাজিনের অনলাইনে স্মৃতিচারণমূলক একটি লেখায় তিনি তুলে ধরেন ট্রাম্প মেয়ে ইভাঙ্কাকে কিভাবে আত্মম্ভরী ও দাম্ভিকতার শিক্ষা দিয়েছেন।

ওই লেখায় তিনি জানান, তাদের দেখা হয় একটি বালিকা বিদ্যালয়ে। এরপর তারা প্রায় এক দশক সময় কাটিয়েছেন একসঙ্গে। একবার প্যারিসে গিয়েছিলেন সেখানকার ভাষা শিক্ষার একটি কোর্সে। তবে ইভাঙ্কা আর লিসান্দা পড়াশোনার কাজ না করে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তারা সিনেমা দেখা থেকে শুরু করে পিকাসো মিউজিয়ামে ঘুরে ঘুরে দেখেছেন। সেই থেকে তারা দুজনে হয়ে পড়েছেন ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। ঘনিষ্ঠতার সূত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও পরিচয় হয় লিসান্দার। তবে লিসান্দা লেখেন, মনে হয় না ট্রাম্প কখনও আমার নাম মনে করতে পারতেন। তিনি সবসময় আমার শরীরের ওজন নিয়ে কথা বলতেন।

ইভাঙ্কা তার কেনাকাটার জন্য ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতেন জানিয়ে লিসান্দা জানান, ইভাঙ্কা সবসময় ম্যাকডোনাল্ডস থেকে চিজ বার্গার কিনে খেত। সে সবসময় ট্রাম্পের বিত্ত, অর্থ আর প্রতিপত্তির প্রভাব বলয়ের মধ্যে থাকত। তার বাবা তাকে শিখিয়েছিল ‌’নিজেকে বাঁচাতে অন্যকে বাসের নিচে ফেলে দাও’। ইভাঙ্কা একবার ধমক দিয়ে লিসান্দাকে বলেছিলেন, ‘কেন তুমি আমাকে এসব গরীবদের লেখা পড়তে বলছ। তোমার কি মনে হয় এসবের প্রতি আমার কোনও আগ্রহ আছে?’

লিসান্দা একটি ঘটনা উল্লেখ করে লেখেন, ২০০৭ সালে আমি একটি নেকলেস পরতে শুরু করি যাতে আরবি হরফে আমার নাম লেখা ছিল। যা দেখে ইভাঙ্কা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একদিন রাতে ডিনারের পর সে আমাকে বলে, ‘‘তোমার ইহুদি বন্ধু কী বলে যখন তুমি তার সঙ্গে সঙ্গম করো আর নেকলসটা তার মুখে বাড়ি খায়? কীভাবে তুমি এ রকম একটা নেকলেস পরে থাক। এটা শুধু চিৎকার করে বলছে ‘সন্ত্রাসী’।







মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত