রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭, সকাল ৭:০৪

প্রচ্ছদ মন্ত্রণালয় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আদালতের উপর চাপ কমাবে

গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আদালতের উপর চাপ কমাবে


বাংলাদেশের মানুষ যেকোন বিবাদে গ্রাম্য শালীস ব্যবস্থার উপর নির্ভর করত।কিন্তু বর্তমান সময়ে যারা শালীসদার বা শালীস-মীমাংসা করেন তারা অনৈকি সুবিধা প্রদানের জন্য বিভিন্ন পক্ষের কাছ থেকে টাকা গ্রহন করে থাকেন।যার ফলে সমাজে গ্রাম্য শালীসদারদের প্রতি আস্থা কমেছে। মূল আদালতে প্রচুর পরিমান মামলা করা শুরু করেছে মানুষ।দেশের প্রতিটি আদালতে মামলার জট রয়েছে।তবে স্থানীয়দের ছোট খাট বিবাদ এখন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হচ্ছে।প্রতিবছর গ্রাম আদালতে নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় বিপুল পরিমান জনগণ উপকৃত হচ্ছে। দিন দিন গ্রাম আদালতে মামলার পরিমানও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে দেশের মূল আদালত গুলোতে মামলা জট কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ‘সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহের অংশ গ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিন ব্যাপি অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আ.ন.ম ফয়জুল হক।  স্থানীয় সরকার বিভাগ, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক দেব প্রসাদ পালের সভাপতিত্বে সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিহার রঞ্জন সাহা, বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আহাদ উদ্দিন হায়দার, কঞ্জুমার এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বাগেরহাটের সভাপতি বাবুল সরদার, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খাদিজা আক্তার, গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলেটেটর মহিতোষ কুমার রায়, রুপান্তরের ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর আলমগীর হোসেন মীরুসহ জেলার ৬টি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ইউনিয়ণ পরিষদ চেয়ারম্যান ও এনজিও প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পটি বাগেরহাটের চিতলমারী, ফকিরহাট, কচুয়া, মোংলা, রামপাল ও শরণখোলা উপজেলার ৪২টি ইউনিয়নে কাজ করছে। ৪২টি ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে ২০১৭ সালের জুলাই মাস থেকে ২০২১ সালে জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ হাজার ৬‘শ ১৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৭ হাজার ৫‘শ ৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ১০৭টি মামলা চলমান রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউএনডিপি এবং বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

বার্তা প্রেরক
তানজিম আহমেদ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

সর্বাধিক পঠিত