spot_img
spot_img

সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, রাত ১১:২৮

প্রচ্ছদদেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত করতে শপথ নিতে হবে
Array

দেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত করতে শপথ নিতে হবে

১৪ দল নেতৃবৃন্দ বলেছেন, যেকোনো মূল্যে এ দেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত করতে হবে। এ জন্য আমাদের শপথ নিতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। এ অর্জন অনেকে মেনে নিতে পারছে না।

তারা বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা ষড়যন্ত্র করবে। তাদের মোকাবেলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবার এ সরকারকে বিজয়ী করতে হবে।

মঙ্গলবার (২০ মার্চ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৪ দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে দলের নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। জামায়াত-বিএনপির সন্ত্রাস চক্রান্ত এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জাফর ইকবালের ওপর হামলাসহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এ সমাবেশর আয়োজন করা হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ১৪ দলের সমন্বয়ক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, আমাদের রাজনৈতিক অধিকারের ওপর বাধা আজ নতুন নয়। বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাসীরা বারবার আঘাত হেনেছে। কিন্তু আমাদের দলাতে পারেনি। আল্লাহর রহমতে আমরা এগিয়ে চলেছি। সব বাধা পেরিয়ে আগামীতেও আমারা এগিয়ে যাবো।

আমু বলেন, আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছি। আগামীতে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। এসব অর্জন বিএনপি-জামায়াত মেনে নিতে পারছে না। তাই তারা বারবার ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা যত ষড়যন্ত্রই করুক না কেন তাদের সমুচিত জবাব দিয়ে আমরা সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়বো।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, জাফর ইকবালের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী জঙ্গিগোষ্ঠীর পরিকল্পিত হামলা। এই হামলা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে। এদেরকে প্রতিহত করতে হবে যেকোনো মূল্যে।

তিনি বলেন, গত ১৫ মার্চ বাংলাদেশকে জাতিসংঘ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ করতে হলে আরও ৬ বছর ক্ষমতার ধারাবাহিকতা থাকতে হবে। এ জন্য জঙ্গিবাদকে প্রতিহত করতে হবে।

মেনন বলেন, আগামী দিনগুলো আরও কঠিন হবে। জঙ্গিরা তাদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখবে। তাদের মোকাবেলা করে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং আগামী নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, এ দেশে জঙ্গিবাদের মাতা হলেন বেগম খালেদা জিয়া। আমরা জঙ্গিবাদকে ঠাঁই দিতে পারি না। এদের দমন করতে পারি। জঙ্গিরা ইসলামের নামে ভণ্ডামি করছে। একজন জঙ্গি মারা গেলে তারা বউ নিয়ে আরেক জঙ্গি থাকে। এভাবে তারা মেয়েদের হাতবদল করে।

মতিয়া বলেন, ৯২ সালে এ দেশে রোহিঙ্গারা এসেছিল। খালেদা জিয়া তাদের বিতাড়িত করেছে। এ জন্য অনেক রোহিঙ্গাকে জীবন দিতে হয়েছে। আর শেখ হাসিনা ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে পরম মমতায় ঠাঁই দিলেন। এটাই হলো মানবতা। এ জন্যই শেখ হাসিনা মানবতার কন্যা। মানবতা আর দানবতা এক জিনিষ নয়।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সন্ত্রাসী জঙ্গিদের ছাড়া হবে না। এদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। জঙ্গিমাতা খালেদা জিয়া চুরি করে এখন জেলে। ব্রিটিস আইনজীবী নিয়োগ করছেন। এই আইনজীবী হলেন মীর কাসেম যে লবিস্ট নিয়োগ করেছিল সেই আইনজীবী।

তিনি বলেন, বাংলার জনগণ শেখ হাসিনার সঙ্গে আসছে। আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনা ছক্কা মেরে জিতবেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির নেতা শেখ শহিদুল ইসলাম, জাসদ নেতা শরীফ নুরুল আম্বিয়া, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, শিরিন আক্তার, নজিবুল বশর মাইজ ভান্ডারী, অধ্যপক নুরুল মজিদ বেলাল, এস কে শিকদার, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, শাহরিয়ার কবির, অধ্যাপক নিম চন্দ্র ভৌমিক, ডা. শাহাদাৎ হোসেন, ওয়াজেদুল ইসলাম খান, মীর আকতার হোসেন, অধ্যাপক মিজানুর রহমান, হাবিবুর রহমান সিরাজ, কবি মোহাম্মদ সামাদ, ড. হারুন অর রশিদ, সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গোলাম কুদ্দুস, হাজী আবুল হাসনাত, মোহাম্মদ সাদেক খান, মোল্লা মো. আবু কাওসার ও ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন প্রমুখ।

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত