spot_img
spot_img

রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ৯ মাঘ ১৪২৮, ভোর ৫:৫০

প্রচ্ছদশিশুর অ্যাসিডিটি
Array

শিশুর অ্যাসিডিটি

অ্যাসিডিটি খুব পরিচিত সমস্যা। সবাই এ সমস্যায় আক্রান্ত হয়। আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট, পরিবেশদূষণ, ভেজাল খাবারের জন্য শিশুরাও বাদ যায় এ সমস্যা থেকে। নবজাতকের অ্যাসিডিটি হলে অনেক কান্নাকাটি করে। পেট হালকা ফুলতে পারে। তাই নবজাতককে দুধ খাওয়ানোর পর পিঠে হালকা থাবা দিতে হবে। পিঠে থাবা দিলে মুখ দিয়ে ঢুকে যাওয়া বাতাস বের হয়ে যাবে। তখন অ্যাসিডিটি বা বমি হবে না। নবজাতকের পেটে গ্যাস জমতে জমতে অ্যাসিডিটি হয়। এ থেকে ডায়রিয়া হতে পারে। তাই নবজাতককে দুধ খাওয়ানের সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে না দিয়ে কিছুক্ষণ ঘাড়ের কাছে রেখে পিঠে থাবা দিতে হবে। এতে নবজাতকের মুখ দিয়ে ঢেকুরের শব্দও হতে পারে।
যেসব শিশু খাবার খেতে অভ্যস্ত, তাদের ছোট থেকেই পানি পানের অভ্যাস করাতে হবে। তাতে অ্যাসিডিটি হবে না। অ্যাসিডিটি হলে কান্নাকাটি করে। পরিবারের সবাইকে বিরক্ত করে। শিশুরা দুধ খায়। তাই তাদের গ্যাস বা অ্যাসিডিটি হয় তুলনামূলকভাবে বেশি।
দুধ ভীষণ পুষ্টিকর খাবার। এতে সব ধরনের পুষ্টি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। দুধ হজম করতে সব শিশুরই বেগ পেতে হয়। দুধ ছাড়া আবার শিশুর পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হবে না। তাই নবজাতক ও শিশুর দুধ খেতেই হবে। যেসব শিশু ফিডার খায়, তার ফিডার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে ও ফুটিয়ে নিতে হবে। তাতে রোগ-জীবাণু মরে যাবে। জন্মের পর শিশু ‘রোটা’ নামক এক ভাইরাসের আক্রমণে ডায়রিয়ার শিকার হয়। তাই যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে। কারণ ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে পর্যাপ্ত লবণ পানি বের হয়ে যায়। তখন শিশু দুর্বল হয়ে পড়ে। ডায়রিয়া যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
একটু বড় শিশুরা বাইরের বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতে চায়। প্রায় শিশুর পছন্দের খাবার হলো ঘরের বাইরের খাবার। যেমনÑ চিপস, চকোলেট, বার্গার, চুইংগাম ইত্যাদি। এসব খাবারে বেশি থাকে মাখন, মেয়োনিজ, তেল ও মসলা, যা শিশুর হজম করতে সমস্যা হয়। তখন বুক জ্বালাপোড়া, বদহজম, শরীর খারাপ, জ্বর জ্বর ভাব হতে পারে। বদহজমের জন্য ফুড পয়জনিং হয় অনেক সময়। শিশুকে ছোট থেকেই পানি পানের অভ্যাস করাতে হবে। এতে দেহের দূষিত তরল পদার্থ ঘাম ও মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এতে শিশুর অন্য অসুখ হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। কিডনির কাজ করার ক্ষমতাও বাড়ে। শিশুর অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের পরিমাণ কমানোর জন্য তাকে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, পোশাক, খেলনা, বই-খাতা, বিছানা সব কিছুই হওয়া চাই যতটা সম্ভব রোগ-জীবাণুমুক্ত।

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত