spot_img
spot_img

শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৪ মাঘ ১৪২৮, রাত ১০:৪৩

প্রচ্ছদপদত্যাগ করলেন রিচার্ড হ্যালসল
Array

পদত্যাগ করলেন রিচার্ড হ্যালসল

বিসিবির সঙ্গে শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছিল রিচার্ড হ্যালসলের। বাংলাদেশ দলের সহকারী এ কোচ অবশেষে সম্পর্ক ছিন্ন করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। তাতে সাড়াও দিয়েছে বিসিবি। সিইও নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, রিচার্ড হ্যালসলের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে বোর্ড।

নিদাহাস ট্রফিতে খেলতে শ্রীলংকা গিয়েছিলেন টাইগাররা। তবে সে সময় দলের সঙ্গে হ্যালসল যাননি। তিনি ছুটিতে ছিলেন। তখন থেকেই বাতাসে গুঞ্জন ছিল, সাকিব-তামিমদের সঙ্গে আর কাজ করতে চান না হ্যালসল! বিসিবিও তার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে বলে শোনা যায়।

জানা গেছে, ক্ষোভ থেকেই নাকি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন হ্যালসল। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে চলে যাওয়ার পর ভেবেছিলেন, তাকেই প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তবে বিসিবি হ্যালসলের ওপর আস্থা রাখেনি। ২০১৮ সালের শুরুতে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজ ও শ্রীলংকার বিরুদ্ধে খেলা দ্বিপক্ষীয় সিরিজে টাইগারদের অলিখিত হেড কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয় খালেদ মাহমুদ সুজনকে। যদিও তাকে বলা হচ্ছিল টেকনিক্যাল ডিরেক্টর। এর পর নিদাহাস ট্রফিতে পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশকে হেড কোচের দায়িত্ব দিলে আরও বেশি মনঃক্ষুণœ হন হ্যালসল। ধারণা করা হচ্ছে, প্রধান কোচের দায়িত্ব না পেয়েই তিনি পদত্যাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।

গতকাল বিসিবির তরফ থেকে পাঠানো মেইলে সিইও নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানান, রিচার্ড অফিসিয়ালি তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পেরেছি, পরিবারের কথা চিন্তা করেই ও এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বোর্ড তার সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানাচ্ছে এবং পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে।’

নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘রিচার্ড চার বছর ধরে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজমেন্টের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং জাতীয় দলের অনেক সাফল্যের সঙ্গী ছিলেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটে অবদান রাখায় বোর্ড তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছে।’

হ্যালসল এক বিতৃত্তিতে বলেন, ‘অসাধারণ সময় কাটিয়েছি বাংলাদেশ দলের সঙ্গে। এ জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কাজের এই সময়টায় কিছু ভালো সহকর্মী পেয়েছিলাম। আমি আমার ক্যারিয়ারের উন্নতিরও যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছি। আমি কখনই বাংলাদেশ দলের সঙ্গে কাজ করার এই সময়ের স্মৃতিটা ভুলব না। বাংলাদেশ দলের সাফল্য কামনা করছি।’ বাংলাদেশ দলের সঙ্গে হ্যালসল যুক্ত হন ২০১৪ সালের শেষের দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। তিনি ফিল্ডিং উপদেষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেন। সেই সফর শেষে তাকে ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব দেয় বিসিবি। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে পদোন্নতি পান হ্যালসল। তাকে সহকারী কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে সময় বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ছিলেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত