spot_img
spot_img

বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, সন্ধ্যা ৭:২০

প্রচ্ছদ।গরমেও খুশি কম্বল পেয়ে..!
Array

।গরমেও খুশি কম্বল পেয়ে..!

নদীর পাড়ে কুড়ে ঘরে থাকতে হয় আমাদের। কারন আমরা গরীব-অসহায়। আব্বু যে টাকা আয় করে তা দিয়ে কোনরকম সংসার চলে। নদীর পাড়ে ঘর বলে শীত কালে প্রচন্ড ঠান্ডা লাগে। কিন্তু শীতের পোশাক ও কম্বল কিনার সামর্থ নেই আমাদের। তাই থাকতে হয়েছে ঠান্ডা অপেক্ষা করেই।

শীতকালে ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রয়োজন ছিল কম্বল। কিন্তু তখন আমরা তা পায়নি। এখন বসন্তকাল প্রচুর গরম পড়ে। গরমের কারনে দিনের অধিকাংশ সময় পানিতে কাটাতে হয় তা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। কিন্তু এত গরমের মধ্যে কম্বল দিয়ে কি করব আমরা! তারপরেও কম্বল পেয়েছি, আমরা খুশি।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজুচৌধুরির হাট এলাকার মেঘনারপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কম্বল বিতরন করেন স্কুলটির শিক্ষকরা। কম্বল পাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বললে তারা তাদের আনন্দের কথাটি জানালেন এই প্রতিবেদককে।
কম্বল বিতরণের বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের অভিভাবক কমিটির সভাপতি সোহরাব মাঝি শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণের জন্য দিয়ে গিয়েছে। তাই আমরা উপস্থিত ২০০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে কম্বল বিতরণ করেছি।স্কুল অভিভাবক কমিটির সভাপতি সোহরাব বলেন, শীতের শুরু থেকেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে শিক্ষার্থীদের জন্য কম্বল চেয়েছি। কিন্তু তখন কম্বল দেন নি। বর্তমানে অনেক গরম পড়ে। তারপরেও এখন কম্বল দিয়েছেন। আর আমরাও শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করতে পেরে অনেক খুশি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বললেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির জন্য অনেক আগেই কম্বল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কেউ কম্বল নিতে আসেনি বলে শিক্ষার্থীরা পেতে দেরি হয়েছে।

নদীর পাড়ে কুড়ে ঘরে থাকতে হয় আমাদের। কারন আমরা গরীব-অসহায়। আব্বু যে টাকা আয় করে তা দিয়ে কোনরকম সংসার চলে। নদীর পাড়ে ঘর বলে শীত কালে প্রচন্ড ঠান্ডা লাগে। কিন্তু শীতের পোশাক ও কম্বল কিনার সামর্থ নেই আমাদের। তাই থাকতে হয়েছে ঠান্ডা অপেক্ষা করেই।

শীতকালে ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রয়োজন ছিল কম্বল। কিন্তু তখন আমরা তা পায়নি। এখন বসন্তকাল প্রচুর গরম পড়ে। গরমের কারনে দিনের অধিকাংশ সময় পানিতে কাটাতে হয় তা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। কিন্তু এত গরমের মধ্যে কম্বল দিয়ে কি করব আমরা! তারপরেও কম্বল পেয়েছি, আমরা খুশি।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজুচৌধুরির হাট এলাকার মেঘনারপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কম্বল বিতরন করেন স্কুলটির শিক্ষকরা। কম্বল পাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বললে তারা তাদের আনন্দের কথাটি জানালেন এই প্রতিবেদককে।
কম্বল বিতরণের বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের অভিভাবক কমিটির সভাপতি সোহরাব মাঝি শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণের জন্য দিয়ে গিয়েছে। তাই আমরা উপস্থিত ২০০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে কম্বল বিতরণ করেছি।স্কুল অভিভাবক কমিটির সভাপতি সোহরাব বলেন, শীতের শুরু থেকেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে শিক্ষার্থীদের জন্য কম্বল চেয়েছি। কিন্তু তখন কম্বল দেন নি। বর্তমানে অনেক গরম পড়ে। তারপরেও এখন কম্বল দিয়েছেন। আর আমরাও শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করতে পেরে অনেক খুশি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বললেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির জন্য অনেক আগেই কম্বল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কেউ কম্বল নিতে আসেনি বলে শিক্ষার্থীরা পেতে দেরি হয়েছে।

নদীর পাড়ে কুড়ে ঘরে থাকতে হয় আমাদের। কারন আমরা গরীব-অসহায়। আব্বু যে টাকা আয় করে তা দিয়ে কোনরকম সংসার চলে। নদীর পাড়ে ঘর বলে শীত কালে প্রচন্ড ঠান্ডা লাগে। কিন্তু শীতের পোশাক ও কম্বল কিনার সামর্থ নেই আমাদের। তাই থাকতে হয়েছে ঠান্ডা অপেক্ষা করেই।

শীতকালে ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রয়োজন ছিল কম্বল। কিন্তু তখন আমরা তা পায়নি। এখন বসন্তকাল প্রচুর গরম পড়ে। গরমের কারনে দিনের অধিকাংশ সময় পানিতে কাটাতে হয় তা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। কিন্তু এত গরমের মধ্যে কম্বল দিয়ে কি করব আমরা! তারপরেও কম্বল পেয়েছি, আমরা খুশি।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজুচৌধুরির হাট এলাকার মেঘনারপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কম্বল বিতরন করেন স্কুলটির শিক্ষকরা। কম্বল পাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বললে তারা তাদের আনন্দের কথাটি জানালেন এই প্রতিবেদককে।
কম্বল বিতরণের বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের অভিভাবক কমিটির সভাপতি সোহরাব মাঝি শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণের জন্য দিয়ে গিয়েছে। তাই আমরা উপস্থিত ২০০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে কম্বল বিতরণ করেছি।স্কুল অভিভাবক কমিটির সভাপতি সোহরাব বলেন, শীতের শুরু থেকেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে শিক্ষার্থীদের জন্য কম্বল চেয়েছি। কিন্তু তখন কম্বল দেন নি। বর্তমানে অনেক গরম পড়ে। তারপরেও এখন কম্বল দিয়েছেন। আর আমরাও শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করতে পেরে অনেক খুশি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বললেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির জন্য অনেক আগেই কম্বল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কেউ কম্বল নিতে আসেনি বলে শিক্ষার্থীরা পেতে দেরি হয়েছে।

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত