spot_img
spot_img

রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ৯ মাঘ ১৪২৮, সকাল ৬:২১

প্রচ্ছদজেনেভায় জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্মেলন
Array

জেনেভায় জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

বৃহস্পতিবার ‘ইউরোপীয় বাংলাদেশ ফোরাম’-এর উদ্যোগে বাংলাদেশ ও ইউরোপের প্রেক্ষিত জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ বিষয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বেলজিয়ামভিত্তিক সংগঠন দক্ষিণ এশিয়া গণতান্ত্রিক ফোরামের গবেষণা পরিচালক সিগফ্রিড ও ওলফ বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়া এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে জঙ্গিবাদের বিস্তারে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশে ও দেশের বাইরে বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্মের মাঝে চরমপন্থার বিস্তারের জন্য জামায়াতে ইসলামীসহ মৌলবাদী দলগুলোকে দায়ী করা হয় সম্মেলনে। এছাড়া এশিয়ার বিভিন্ন দেশে চরমপন্থী সন্ত্রাসী তৎপরতা উস্কিয়ে দিতে অর্থায়নের অভিযোগ তোলা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে।

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউরোপীয় বাংলাদেশ ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিকাশ চৌধুরী বড়ুয়া। সভাপতিত্ব করেন নেদারল্যান্ডসভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘দ্য হেগ পিস’-এর পরিচালক ইয়াকব দে ইয়ঙ্গে।

 সম্মেলনে অনেকের মধ্যে বক্তব্য দেন জেনেভাভিত্তিক সংগঠন ‘আর্থ ফোকাস ফাউন্ডেশন’-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নিকোলা স্পাফোর্ড ফুরি, জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাগ- ডিইএসএ’র প্রাক্তন পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ভিলেম ফন ডের খেস্ট এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট ফেডারেশনের এশিয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা শাম্মী আহমেদ।
সম্মেলনে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন একাত্তর টেলিভিশনের সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামিয়া জামান, হেলথ টেক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিদ্যুৎ বড়ুয়া, ব্রাসেলস ঢাকা সলিডারিটি ফর পিস কমিটি বিডিএসপিসির সমন্বয়কারী এম এম মুর্শেদ, জেনেভাভিত্তিক ইউনাইটেড কাশ্মীর পিপলস ন্যাশনাল পার্টির চেয়ারম্যান সর্দার শওকত আলী কাশ্মিরি, মানবাধিকার কর্মী নাসির আজিজ খান এবং বালুচ ভয়েস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মুনির মেঙ্গাল।

সম্মেলনে উপস্থাপিত প্রবন্ধগুলোর ওপর আলোচনার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন ও জেনেভায় ওএইচসিএইচআর-এ জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোটিয়ার কারিমা বেনোনের লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান ইউরোপীয় বাংলাদেশ ফোরাম (ইবিএফ)-এর প্রেসিডেন্ট আনসার আহমেদ উল্লাহ।

বেনোনে তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্বজুড়ে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের উত্থানের পেছনে রয়েছে সামগ্রিক সাম্য এবং মানবাধিকার নিশ্চিত না করা, তাই শক্ত হাতে জঙ্গিবাদ দমন করতে সর্বাগ্রে মানবাধিকারের সার্বজনীনতা নিশ্চিত করতে হবে। যখন রাষ্ট্র এবং সরকার এই সার্বজনীনতাকে অস্বীকার করে, তখন প্রকারান্তরে তারা জঙ্গিবাদকেই উস্কে দেয়।”

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত