spot_img
spot_img

বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, রাত ৮:১৬

প্রচ্ছদ২৫০ কলাগাছে প্রতিহিংসার কোপ
Array

২৫০ কলাগাছে প্রতিহিংসার কোপ

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের প্রতিহিংসার কোপ পড়েছে ২৫০ কলাগাছে। গত শুক্রবার কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের গাজিরচর ইউনিয়নের সাদিরচর গ্রামে প্রকাশ্যে কেটে ফেলা হয় গাছগুলো। আর এতে দুই পক্ষের বিবদমান বিরোধের কারণে পথে বসেছেন দরিদ্র বর্গাদার নান্নু মিয়া নামে এক কৃষক। এ ঘটনায় তাঁর লক্ষাধিক টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে।ওই জমির মালিক জৌতি মিয়া বলেন, পৈতৃক জমিটি তাঁর দখলেই। তবে চল্লিশ বছর আগে তাঁর পিতা মৃত মতি মিয়া তাঁর ফুফু সায়েরা খাতুনের কাছে সাদিরচর মৌজার ২৪২ খতিয়ানে ৪৭১ দাগে ১০ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। কিন্তু ভুলবশত ওই দলিলে ৪৭১ দাগের পরিবর্তে এ জমির ৪৬৭ দাগ উঠে পড়ে। দুই বছর আগে ঘটনাটি ধরা পড়লে ফুফাতো ভাইদের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়।

বিরোধ মেটাতে গত ১৮ মার্চ গাজিরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালিস বসান। চেয়ারম্যান মো. জুয়েল মিয়ার নেতৃত্বে ওই সালিসে স্থানীয় গণ্যমান্যরা দলিলটি সংশোধনের সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু তাঁর ফুফাতো ভাই সানু মিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেন। অভিযোগ, সামাজিক বিধি-নিষেধ অমান্য করে সানু মিয়া শুক্রবার ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে পুরো কলাবাগান কেটে ফেলেন।

গতকাল শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জমিজুড়ে কাটা কলাগাছ পড়ে আছে। ছোট-বড় অগণিত কলার ছড়াও জমিতে মাটির সঙ্গে মিশে রয়েছে। গাজিরচর ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুয়েল মিয়া জানান, তিনি সালিস করে দলিল সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু তা না মেনে সানু মিয়া কলাগাছ কেটে ভীষণ অন্যায় কাজ করেছেন।

এ ঘটনায় জ্যোতি মিয়া বাদী হয়ে শুক্রবার সানু মিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে বাজিতপুর থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। গতকাল বাজিতপুর থানার এসআই ফরিদ আহাম্মদসহ পুলিশের একটি দল সরেজমিন গিয়ে ঘটনার শতভাগ সত্যতা পান।

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত