spot_img
spot_img

শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৪ মাঘ ১৪২৮, রাত ১০:৩৩

প্রচ্ছদসরকারী আমানতের অর্ধেক পাচ্ছে বেসরকারী ব্যাংক
Array

সরকারী আমানতের অর্ধেক পাচ্ছে বেসরকারী ব্যাংক

তারল্য সঙ্কট মেটাতে সরকারী আমানতের ৫০ শতাংশ বেসরকারী ব্যাংকে রাখার সিদ্ধান্ত অতিদ্রুত কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। 

তিনি বলেন, সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে তাদের পয়সার ২৫ শতাংশ বেসরকারী ব্যাংকে রাখতে হতো, সেটি আমরা বাড়ানোর চিন্তা করেছি। এর আগে সিদ্ধান্ত দিয়েছি এবং সেটি অতিদ্রুত কার্যকর হচ্ছে যে বেসরকারী ব্যাংকে সরকারী প্রতিষ্ঠানের এই বাধ্যবাধকতা ৫০ শতাংশ করা হবে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, সরকারী আমানতের ৭৫ শতাংশই রাখতে হয় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোয়। বাকি ২৫ শতাংশ পায় বেসরকারী ব্যাংকগুলো। সরকারী আমানতের অর্ধেক বেসরকারী ব্যাংকে রাখতে দাবি জানিয়ে আসছিল বেসরকারী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা।

রবিবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জনতা ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন-২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মোঃ ইউনুসুর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী প্রমুখ।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বড় বিনিয়োগে অর্থায়ন করছে। এটা ব্যাংকিং নিয়ম অনুযায়ী মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। এ অবস্থা এ জন্যই যে, আমরা এতদিনেও একটা উপযুক্ত ক্যাপিটাল মার্কেট সৃষ্টি করতে পারিনি। আমরা চেষ্টাও কম করিনি। আমরা দু’দুটো ব্যাংক করেছিলাম এবং আইসিবি করেছি দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের জন্য। কিন্তু, এখানে আমরা ততো সাফল্য অর্জন করতে পারিনি। আমার মনে হয়, ব্যাংকিং সেক্টরে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যে, কি করে আমরা ক্যাপিটাল মার্কেট সৃষ্টি করতে পারি। তবে এজন্য আমরা একটি গ্রুপকে ব্যাংক দেবো, যাতে তারা এটা সৃষ্টি করতে পারে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর নির্বাচনী বছর হলেও অর্থনীতি অস্থিতিশীল হবে না। প্রবৃদ্ধির হারও ভাল এ বছর। চলতি বছরে হঠাৎ করেই ঋণের সুদহার অনেক বাড়তে শুরু করে। এ বিষয়ে দু’ একদিন আগে আমি বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বসছিলাম। ব্যাংকগুলোতে কোন তারল্য সঙ্কট নেই। কিছু সমন্বয়হীনতা রয়েছে। এসব ব্যাংকে সরকারী আমানত বাড়লেই এই সঙ্কট কেটে যাবে। আগে বাধ্যতামূলকভাবে সরকারী আমানতের ৭৫ শতাংশ রাখা হতো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে। আর ২৫ শতাংশ পেত বেসরকারী ব্যাংক। বেসরকারী ব্যাংকের মালিকদের দাবির প্রেক্ষিতে এটিকে এখন ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে বেসরকারী ব্যাংকগুলোতে যে সঙ্কট তৈরি হয়েছে সেটি কেটে যাবে। এবং শীঘ্রই তারা ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে পারবে।

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত