spot_img
spot_img

শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৪ মাঘ ১৪২৮, সকাল ৮:২২

প্রচ্ছদজানা-অজানা: প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
Array

জানা-অজানা: প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার

ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা ও প্রথম বিপ্লবী নারী শহীদ প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার (১৯১১-১৯৩২)। তৎকালীন পূর্ববঙ্গে চট্টগ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা জগবন্ধু ছিলেন চট্টগ্রাম পৌরসভার প্রধান কেরানী। পড়াশোনায় হাতেখড়ি মা-বাবার কাছে। চট্টগ্রামের খাস্তগীর বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১৯২৭ সালে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯২৯ সালে ভর্তি হন ঢাকা ইডেন মহিলা কলেজে। উচ্চ মাধ্যমিকে ঢাকা বোর্ডে করেন প্রথম স্থান অধিকার। এর দুই বছর পর প্রীতিলতা কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে দর্শন শাস্ত্রে ডিস্টিংশনসহ গ্র্যাজুয়েশন করেন। ইডেন কলেজের ছাত্রী থাকাকালে প্রীতিলতা লীলা নাগের নেতৃত্বাধীন দীপালি সংঘের অন্তর্ভুক্ত শ্রীসংঘের সদস্য ছিলেন। হয়েছিলেন কলকাতার বেথুন কলেজের কল্যাণী দাসের নেতৃত্বাধীন ছাত্রীসংঘের সদস্যও। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা  ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম মহিলা সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্যসেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে। এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইন দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ‘কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ’ এইরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাত্ক্ষণিকভাবে পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরো উজ্জীবিত করে তোলে।

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত