spot_img
spot_img

মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, রাত ৯:০০

প্রচ্ছদক্রীড়াঙ্গনদল থেকে বাদ পড়ে এক মাসেই ক্যারিয়ার বদলে ফেলেছিলেন তামিম

দল থেকে বাদ পড়ে এক মাসেই ক্যারিয়ার বদলে ফেলেছিলেন তামিম

পরিসংখ্যানের বিচারে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল খান। তিন ফরম্যাটেই সর্বোচ্চ রান, সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি কিংবা সর্বোচ্চ হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড নিজের দখলেই রেখেছেন তামিম।

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে একবারও ফর্মজনিত কারণে দল থেকে বাদ পড়েননি তামিম। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পা রাখার আগেই দল থেকে বাদ পড়ার স্বাদ পেয়ে গেছিলেন তিনি, যা বদলে দিয়েছে তার পুরো ক্যারিয়ার।

জনপ্রিয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর সঙ্গে এক ভিডিওকাস্টে নিজের খেলোয়াড়ি জীবন শুরুর ঘটনা জানিয়েছেন তামিম। সেখানেই উঠে এসেছে ২০০৬ সালে বাদ পড়ার সেই স্মৃতি এবং নিজেকে বদলে ফেলার গল্প। ক্রিকেটার হওয়ার পেছনে নিজের বাবার স্বপ্নের কথাও আরেকবার মনে করিয়ে দিয়েছেন তামিম।

তিনি বলেছেন, ‘আমার বাবা (প্রয়াত ইকবাল খান) সবসময় চাইতেন, আমি যেন ক্রিকেটার হই। সত্যি বলতে, আমি আমার বাবার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলাম। এর আগেও অনেকবার বলেছি, আমি আমার বাবার স্বপ্ন পূরণের জন্যই সবকিছু করে যাচ্ছি। আমি ক্রিকেট খেলছি কারণ আমাকে আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। এভাবেই আসলে সবকিছুর শুরু।’

‘এরপর ধীরে ধীরে অনূর্ধ্ব-১৩, ১৫, ১৭ ও ১৯…আমি সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করার চেষ্টা করেছি। ২০০৬ সাল আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তখন আমার বয়স ১৬-১৭’র মতো হবে, অনেক বন্ধুবান্ধব। তাদের সঙ্গে আড্ডাবাজির কারণে ক্রিকেট থেকে খানিক দূরে সরে গিয়েছিলাম। এমন না যে বাজে অভ্যাস ছিল কোন। এমনি কিশোর বয়সে যা হয়, তেমনই করতাম বন্ধুরা মিলে… ঘোরাঘুরি, আড্ডাবাজি- এসব।’

‘তবে আমি এখনো একবারের জন্যও কোন দল থেকে বাদ পড়িনি। বয়সভিত্তিক হোক কিংবা জাতীয় দল। একবার বাদ পড়েছিলাম, তখন বাংলাদেশে এইচপি দল গঠন করা হয়েছিল। তখন আমি বাদ পড়েছিলাম। এখনও বাদ পড়ার কারণ জানি না অবশ্য। কারণ আমি সেবার ঘরোয়া ক্রিকেটেও বেশ ভালো করেছিলাম।’

‘আমি এটা বললাম, কারণ আমার মনে হয় বাদ পড়ার সেই এক মাস আমার পুরো ক্রিকেট জীবনই বদলে দিয়েছে। সেই এইচপি দল পাকিস্তানে একটি সিরিজ খেলতে গিয়েছিল এবং আমরা ছয়জন ঢাকায় রয়ে গেছিলাম। আমাদের দেখার জন্য সেখানে কোচই ছিলেন ১২ জন।’

‘ঐ এক মাস খুবই খারাপ লেগেছে। মূল দলের ব্যাটসম্যানরা এসে ব্যাটিং করতো আর আমাদের বসে থাকতে হতো তাদের শেষ হওয়ার জন্য। এসব জিনিস আমার সকল চিন্তাভাবনা বদলে দিয়েছিল। তখন আমি ভালোভাবে ফিরে আসি, ঘরোয়াতে ভালো করি এবং জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে যাই।’

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত