spot_img
spot_img

মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, রাত ৯:২০

প্রচ্ছদশীর্ষ সংবাদশরীরে প্লাজমা থেরাপি নিয়েছেন 'ডা. জাফরুল্লাহ'

শরীরে প্লাজমা থেরাপি নিয়েছেন ‘ডা. জাফরুল্লাহ’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শরীরে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালে তাকে নিয়মিত কিডনি ডায়ালাইসিসের পর ‘ও পজিটিভ’ ব্লাড গ্রুপের ২০০ মিলি প্লাজমা দেওয়া হয়।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. সাইমুম আরাফাত পান্থ তিনি জানান, তিনি গত প্রায় ছয় বছর ধরে প্রতি সপ্তাহে তিনবার করে ডায়ালাইসিস করাচ্ছেন। বুধবার (২৭ মে) তার পিসিআর টেস্ট করার সম্ভাবনা আছে। জ্বর আগের থেকে কমলেও এখন তার কাশি বেড়েছে।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী এখনও হোম আইসোলেশনেই আছেন। বিকেল ৩ থেকে ৫ টা পর্যন্ত তার কিডনি ডায়ালাইসিস করা হয়। এরপরেই প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয়।

মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘সন্ধানী’ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের সহায়তায় এ প্লাজমা ট্রান্সফিউশন সম্পন্ন হয়েছে। সন্ধানীর সেচ্ছাসেবীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে প্লাজমাদাতা খুঁজে বের করা হয়েছেন।

এখন আগের চেয়ে বেশ সুস্থ বলেও জানিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মঙ্গলবার রাতে বলেন, ‘আমি ভালো আছি। জ্বর কমে গেছে। আজকে আমি ২০০ মিলি প্লাজমা নিয়েছি।’

অন্যদিকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনা শনাক্তের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সকল রাজনৈতিক দল তার খোঁজ-খবর নিয়েছে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও খোঁজ-খবর নিয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমার জন্য ব্যবস্থা করতে বলেছে। সবাই আমার খোঁজ-খবর নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীও নিয়েছেন, সকল রাজনৈতিক দলই খোঁজ-খবর নিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমার হাসপাতালে যাওয়ার দরকার নাই। তাই যাব না। আসলে আমার চিকিৎসা হলো আমাকে বাসায় থাকতে হবে। আমাকে হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করতে হবে, আর এটা (বাসায় থেকে করোনার চিকিৎসা গ্রহণ) করতে হবে।’

সোমবার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা হলে তার করোনা পজিটিভ আসে।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার কিছুদিন পর থেকে এই ভাইরাস শনাক্তরণে কিট উদ্ভাবনে নামে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীদের একটি দল তা উদ্ভাবনও করেছে। উদ্ভাবিত এ কিটের সক্ষমতা যাচাই চলছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)। এ পরীক্ষায় সফলতা পেলে কিট ব্যবহারের অনুমোদন দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর। তারপরই গণস্বাস্থ্য তাদের উদ্ভাবিত কিট সবার করোনা পরীক্ষায় ব্যবহার করা যাবে। এ কিট উদ্ভাবন প্রক্রিয়া মিডিয়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগের সমন্বয় করে আসছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত