spot_img
spot_img

মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, রাত ৮:২৮

প্রচ্ছদশীর্ষ সংবাদঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল নেমেছে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া রুটে

ঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল নেমেছে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া রুটে

ঈদের ছুটি শেষে আবার রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনার ঝুঁকি নিয়েই কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌ-রুট হয়ে রাজধানীতে ফিরছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে করেই পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন তারা। ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই গত দুই দিনের মতো আজও নৌরুটে ভিড় করেছেন মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নৌরুটটি লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

ফেরিতে মানা হচ্ছে না কোনো সামাজিক দূরত্ব। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অনেকের মুখে নেই মাস্ক। ফেরিতে নেই করোনা সংক্রমণের নিয়ম মানার বালাই। যে যার মতে করে স্বাভাবিক দিনের মতো করে চলছেন।

ঘাটের একাধিক সূত্রে জানা যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌ-রুট হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। বরিশাল, খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকার কারণে বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে যাত্রী কাঁঠালবাড়ি ঘাটে আসছেন। তবে ঘাট পর্যন্ত আসতে যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে ৫/৭ গুণ বেশি ভাড়া। এই নৌ-রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিগুলো যানবাহন পারাপারের পাশাপাশি যাত্রী পারাপারে হিমশিম খাচ্ছে।

ঘাটের মানুষের যাতায়াত দেখলে মনে হয় না যে, করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের চলাচলে আছে কোন বাধা নিষেধ। কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃংখলা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে।

কাঁঠালবাড়ি ঘাটে বরিশাল থেকে আসা যাত্রী শারমিন জানান, কখনো মোটরসাইকেলে, কখনো পায়ে হেটে, আবার কখনো বা অটোভ্যানে চড়ে এ পর্যন্ত এসেছি। এসকল যানবাহনের চালকরা যার কাছ থেকে যত টাকা চেয়ে নিতে পারছে। তাদের কাছে নিয়মনীতির কোনো বালাই ছিল না। ভাড়া ৬/৭ গুণ পর্যন্ত নেয়া হয়েছে। উপায় না পেলে আসতে হয়েছে।

নড়াইল থেকে আসা আবদুল্লাহ মিয়া জানান, রাস্তায় গণপরিবহন বন্ধ। কিভাবে যে আসছি তা বলতেই কষ্ট লাগছে। করোনার ভয়ে আর ঘরে বসে থাকলে কি হবে? গত দুই মাস ঢাকায় তো বসেই ছিলাম। কেউ তো খাবার দেয় নাই। কাজ না করলে কেউ খেতে দিবে না। কাজ না করলে পেটে ভাত জুটবে না।

কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ভজন কুমার সাহা জানান, হঠাৎ করে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এজন্য কয়েকটি পন্টুনে পানি উঠে গেছে। এছাড়া নদীতে প্রবল বাতাস থাকায় বন্ধ রয়েছে ডাম্ব ফেরি চলাচল। ফলে ১৭টি ফেরির মধ্যে চলাচল করছে ১২ থেকে ১৪টি ফেরি।

মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বাধিক পঠিত